এসইও

ডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য – difference between domain hosting 2023

ডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য কি সেটা আজকের এর আর্টিকেল এ জানবো। যেহেতু আমি একটা প্রিমিয়ার ওয়েবসাইট ডিজাইন এর কোর্স পার্ট আকারে এই সাইটে লিখবো তাই, সেই কথা মাথায় রেখে এই আর্টিকেল লিখছি।

 

যখন নতুন কেউ ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করে তখন ডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে না। তাই আমাদের ডোমেইন হোস্টিং (domain hosting) সম্পর্ক একটা full knowledge থাকা খুব দরকার।

নতুন অবস্থায় অনেকেই মনে করতে পারেন যে ডোমেইন হোস্টিং একই জিনিস। আসলে তা না, দুইটা দুই জিনিস।

যদিও একটা ওয়েবসাইট এর জন্য ডোমেইন হোস্টিং প্রথম ও প্রধান প্রয়োজন, তার মানে এই নয় যে এই দুইটা একই জিনিস।

তো দেরি না করে চলুন জেনে নিই ডোমেইন ও হোস্টিং আসলে কি, এবং ডোমেইন হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য কি? এগুলো কিভাবে কাজ করে?

 

ডোমেইন কি? ( ডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য )

একটি ডোমেইন (domain name) ইন্টারনেটের একটি অনন্য এবং অপরিহার্য উপাদান। এটি অক্ষরের একটি সিরিজ যা ইন্টারনেটে একটি ওয়েবসাইট বা অন্যান্য সংস্থান সনাক্ত করে।
একটি ডোমেন নামের সবচেয়ে সাধারণ বৈশিষ্ট্য হল ফুল স্টপ দ্বারা আলাদা। একটি ডোমেন নামের ডানদিকের অংশটিকে শীর্ষ-স্তরের ডোমেইন (TLD) বলা হয় এবং এটি ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য বা বিভাগ নির্দেশ করে। TLD-এর কিছু সাধারণ উদাহরণের মধ্যে রয়েছে .com, .org, .edu, .gov, এবং .net।
যখন একজন ব্যক্তি একটি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে চান, তখন তারা একটি ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা বারে ডোমেন নাম টাইপ করে। ব্রাউজারটি তখন একটি ডোমেন নেম সিস্টেম (DNS) সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হবে, যা ডোমেন নামটিকে একটি IP ঠিকানায় translate করবে।
 IP ঠিকানা হল একটি unique সাংখ্যিক লেবেল যা যোগাযোগের জন্য ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে এমন একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসের জন্য বরাদ্দ করা হয়। ব্রাউজার তারপর ওয়েবসাইটের সার্ভার অ্যাক্সেস করতে এবং ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু পুনরুদ্ধার করতে IP ঠিকানা ব্যবহার করতে পারে।
একটি unique এবং সহজে মনে থাকে এমন ডোমেইন নাম সিলেক্ট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা বানান করা সহজ এবং মনে রাখা সহজ।
একটি ভাল ডোমেইন নাম লোকেদের সহজেই আপনার ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে সাহায্য করবে এবং এটি এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান) করতেও সাহায্য করবে৷
 আপনার ডোমেন নামটি আপনার ব্র্যান্ড তৈরিতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, তাই আপনার এমন একটি নাম বেছে নেওয়া উচিত যা আপনার ব্যবসা বা সংস্থার সাথে প্রাসঙ্গিক৷ .
উপসংহারে, একটি ডোমেইন নাম একটি ইউনিক নাম যা ইন্টারনেটে একটি ওয়েবসাইট বা unique সংস্থানকে চিহ্নিত করে। এটি ইন্টারনেটের একটি অপরিহার্য উপাদান যা লোকেদের সহজে এবং দ্রুত ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে দেয়।
সঠিক ডোমেইন নামের সাথে, আপনি আপনার অনলাইন উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন এবং কার্যকরভাবে আপনার ব্র্যান্ড তৈরি করতে পারেন।
এক কথায় ডোমেইন নেম হলো একটা ওয়েবসাইট এর ঠিকানা। যেমন আমরা এই ওয়েবসাইট কেই ধরতে পারি যখন আপনি যে কোন ব্রাউজার এ গিয়ে সার্চ করবেন  free-all.xyz লিখে তখন আমার এই ওয়েবসাইট এই চলে আসবেন।

হোস্টিং কি?

হোস্টিং কি?

 

হোস্টিং হলো একটা মেমোরি যেখানে আপনার ওয়েবসাইট এর সমস্ত ফাইল স্টোর করা থাকে। বা যেখান থেকে আপনার ওয়েবসাইট লোড হয় সেই জায়গাই হলো হোস্টিং।
আগের উদাহরণ দিলে আরো ভালো বুঝবেন, ডোমেইন কে আমরা ঠিকানা বলেছি আর হোস্টিং হলো সেই ঠিকানার বাড়ি।
ইন্টারনেটে এমন কোন ওয়েবসাইট নেই যার ডোমেইন ও হোস্টিং এর দরকার হয় না। সব ওয়েবসাইট এর একটা unique ডোমেইন ও হোস্টিং দরকার হয়।
আমরা যখন ব্রাউজার এর এড্রেস বার এ free-all.xyz লিখে সার্চ করি তখন সেই signal সরাসরি ওয়েব হোস্টিং এর server এ যায়। ডোমেইন এর কাজ এখানেই।
এর পরের কাজ শুরু হয় হোস্টিং এর। হোস্টিং সার্ভার ঐ ডোমেইন এর আন্ডার এ থাকা ফাইল গুলি ব্যবহারকারীর browser এ পাঠিয়ে দেয়।
আপনারা যাবেন এই ফাইল গুলি কোড করা থাকে। ব্রাউজার এই কোড কে সুন্দর করে আপনার সামনে present করে। এটাই ব্রাউজার এর কাজ।

হোস্টিং এর প্রকার:

ওয়ব হোস্টিং আবার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। ওয়েবসাইটের জন্য বিভিন্ন ধরণের হোস্টিং রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:
  1. Shared hosting: ওয়েবসাইটগুলি অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলির মতো একই সার্ভারে হোস্ট করা হয়, মেমরি এবং প্রক্রিয়াকরণ শক্তির মতো সংস্থানগুলি ভাগ করে নেওয়া হয়। এটি সবচেয়ে সব থেকে কম দামে পাওয়া যায় এবং ছোট, ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট বা ব্লগের জন্য এই হোস্টিং বেশী জনপ্রিয়।
  2. VPS (ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার) Hosting: ওয়েবসাইটগুলি একটি ভার্চুয়ালাইজড সার্ভারে হোস্ট করা হয়। VPS হোস্টিং শেয়ার্ড হোস্টিং এর চেয়ে বেশি price হয়ে থাকে কিন্তু এটা পুরো পৃথিবী থেকে খুব কম সময়ে access করা যায়।
  3. Dedicated hosting: ওয়েবসাইটগুলি একটি একক, Dedicated hosting সার্ভারে হোস্ট করা হয়। সর্বাধিক নিয়ন্ত্রণ এবং সংস্থান সরবরাহ করে। এটি সবচেয়ে ব্যয়বহুল এবং সাধারণত বড়, বেশী-ট্রাফিক ওয়েবসাইট এ ব্যবহৃত হয়।
  4. Cloud hosting: ওয়েবসাইটগুলি ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত সার্ভারের একটি নেটওয়ার্কে হোস্ট করা হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে ছোট বা ছোট করা যায়। এটি একটি নতুন ধরনের হোস্টিং যা অনেক দামী হোস্টিং এর তুলনায় আরও ফার্স্ট এবং মাপযোগ্যতা প্রদান করে।
  5. Managed hosting: VPS হোস্টিংয়ের মতো, ওয়েবসাইটগুলি একটি ভার্চুয়ালাইজড সার্ভারে হোস্ট করা হয় এবং হোস্টিং কোম্পানি সার্ভার এবং ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবস্থাপনা প্রদান করে। এটি প্রায়শই বড় কোম্পানি বা ই-কমার্স সাইটগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে হোস্টিং কোম্পানি কোনো নিরাপত্তা এবং রক্ষণাবেক্ষণ পরিচালনা করে।

ডোমেইন হোস্টিং এর মধ্য পার্থক্য কি? ( ডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য )

ডোমেইন হোস্টিং এর মধ্য পার্থক্য কি?

 

এতক্ষণ অবসই বুঝতে পেরেছেন যে ডোমেইন হোস্টিং দুটি আলাদা আলাদা জিনিস তবে এই দুটি এক সাথে কানেক্ট না হলে ওয়েবসাইট হয় না।
এই জন্য আপনার একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে এই দুইটাই দরকার হবে। ডোমেইন হোস্টিং এর যে কোন একটা বাদ দিলে ওয়েবসাইট হবে না।
ডোমেইন হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য যদি বলি তা হলে ডোমেইন হলো একটা ওয়েবসাইট এর ওয়েব এড্রেস। এক জন এর ঠিকানার সাথে যেমন অন্য জন এর ঠিকানা মিলে না তেমন একটা ওয়েবসাইট এর ডোমেইন এর সাথে অন্য ওয়েবসাইট এর ঠিকানা কখনো মিলবে না।
তার মানে প্রতিটি ওয়েবসাইট এর ডোমেইন unique হবে। তাছাড়া ওয়েবসাইট এ ভিজিট করা সম্ভব হবে না। যদি মনে করেন আমার ওয়েবসাইট এর নাম free-all.xyz আবার আপনার ওয়েবসাইট এরও একই নাম, তাহলে কি হবে? কেউ যদি আমার ওয়েবসাইট এর নাম লিখে সার্চ করে তাহলে আপনার ওয়েবসাইট চলে যাবে। এটা হলো?
এই সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রতিটা ওয়েবসাইট এর জন্য আলাদা আলাদা ডোমেইন নিতে হয়।
আবার হোস্টিং হলো সেই মেমোরি যেখানে আপনার সম্পূর্ণ ওয়েবসাইট কে স্টোর করা হয়েছে। মানে ওয়েবসাইট এর সমস্ত ফাইল যেখান থেকে পরিচালনা করা হয়।
এই লেখা গুলো যে দেখছেন বা এই রে সুন্দর ডিজাইন হয়ে আসছে আপনার সামনে অথবা এই ছবি গুলো যেখান এ রাখা হয়েছে সেই জায়গাই হলো হোস্টিং।
একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে আপনাকে সবার প্রথম এ একটা unique ডোমেইন সিলেক্ট করতে হবে। এর পর কোন ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন কোম্পানির থেকে সেটা রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে।
ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে আপনাকে একটা কোম্পানির থেকে হোস্টিং কিনি নিতে হবে।
এর পর আপনার কেনা ডোমেইন ও হোস্টিং এক সাথে কানেক্ট করতে হবে।
ডোমেইন ও হোস্টিং সাধারণত এক বছর এর মেয়াদ এ পাওয়া যায়। বা এক বছর মেয়াদ এ নিলে ভালো হয়। এক বছর পর পর renew করতে হয়। ( ডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য )

ডোমেইন হোস্টিং একই কোম্পানি থেকে নেওয়া যায়?

হ্যা, বেশীরভাগ ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন কোম্পানির কাছেই হোস্টিং নেওয়ার সুযোগ থাকে। ডোমেইন ও হোস্টিং এক কোম্পানি থেকে নিলে কিছু সুবিধা পাওয়া যায়।
ডোমেইন হোস্টিং একই কোম্পানির কাছে নিলে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করা বা ওয়েবসাইট সেট আপ করা সহজ হয়।
যে কোন ধরণের সমস্যার জন্য কাস্টমার সাপোর্ট পেতে সুবিধা হয়। সমস্যার সমাধান করা তুলনামূলক একটু সহজ হয়ে যায়।
তাছাড়া কিছু কিছু কোম্পানির কাছে একবছর এর জন্য হোস্টিং নিলে ডোমেইন ফ্রি দেয়। তার মানে আপনি সুধু এর বছর এর জন্য হোস্টিং কিনলেই একবছর এর জন্য (.com) ফ্রি পাবেন।

বেষ্ট ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি: ডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য

আপনি যদি একই কোম্পানি বা একটা ওয়েবসাইট থেকেই ডোমেইন আর হোস্টিং নিতে চান তাহলে এই দুইটা কোম্পানি সব থেকে ভালো হবে। আর যদি বাংলাদেশের ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানির সম্পর্কে ভালো করে জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেল ভিজিট করুন:

Blue host: 

আপনি যদি একই ওয়েবসাইট থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং নিতে চান তাহলে আমি আপনাকে blue host থেকে নিতে বলবো। কারণ blue হোস্ট এর সার্ভিস সব থেকে Premium কোয়ালিটি।
Blue host এর ডোমেইন ও হোস্টিং দাম অন্য সব কোম্পানির থেকে কিছুটা কম। আর এখন অফার চলছে তো নিতে চাইলে এখন Blue host এর ওয়েবসাইট এ গিয়ে আপনার ওয়েবসাইট এর journey শুরু করুন।
ও আর একটা কথা ব্লু হোস্ট 24 ঘন্টা খুব ভালো করে যে কোন সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে। তাদের কাস্টমার সাপোর্ট অনেক ভালো।

Intel web host: 

যাদের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড নেই, তাদের জন্য বাংলাদেশের বেষ্ট ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি হলো Intel Web host.
নতুন অবস্থায় আমাদের কাছে কার্ড থাকবে না এটাই খুব সাধারণ। তাই blue host এর পরিবর্তে আপনি এখান থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং নিতে পারেন।
আপনি চাইলে এই ওয়েবসাইট থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং এক সাথে নিতে পারেন। আর মজার ব্যাপার হলো আপনি বিকাশ, নগদ বা রকেট দিয়ে প্রেমেন্ট করতে পারবেন।
এখানেও আপনি যদি এক বছর এর জন্য হোস্টিং কিনলেই সাথে এক বছর মেয়াদী (.com) ডোমেইন ফ্রি দিচ্ছে। তো দেরি না করে অফার শেষ হওয়ার আগেই নিয়ে নিন।
আমাদের কথা: ডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্যডোমেইন ও হোস্টিং এর মধ্যে পার্থক্য –
আশা করি আপনার কাছে পুরো বিষয়টা পরিস্কার হয়ে গেছে।  আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button