এসইওব্লগিংশিক্ষা

ব্যাকলিংক কি? 2023 সালে ব্যাকলিংক কিভাবে তৈরি করবো?

ব্যাকলিংক কি ? কেন 2023 সালে এসে ব্যাকলিংক এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দ্বারিয়েছে? অফ পেজ এসইও এর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ভালো ব্যাকলিংক তৈরি করা। ব্যাকলিংক ভালো থাকলে আপনার ডোমেইন অথোরিটি বাড়তে থাকবে। আর ডোমেইন অথোরিটি বেশী মানে গুগল এর কাছে আপনার ওয়েবসাইট এর প্রাধান্য বেশী।

এমন অনেক ব্লগার আছে যারা ব্যাকলিংক নিয়ে খুব চিন্তিত তারা যাবে না যে কিভাবে ওয়েবসাইট এ ব্যাকলিংক নিয়ে আসতে হয়। আপনার একটা ব্লগ ওয়েবসাইট থাকে আর ঐ ওয়েবসাইট এ google থেকে ভিজিটর নিয়ে আসতে চান তো আপনার ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।

যদি আপনি একজন সফল ব্লগার হতে চান তা হলে আপনার ওয়েবসাইট এর ভিজিটর বারাতে হবেই। আর ভিজিটর বানানোর জন্য হলেও আপনাকে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে। আপনি যদি ব্যাকলিংক কি ? কি ভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হয়? তা না জানেন তাহলে এই আর্টিকেল আপনার জন্য।

এমন অনেকেই আছে যারা বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইটে শুধু ব্যাকলিংক দিয়েই অনেক টাকা ইনকাম করে ফেলছে। fiverr এ গিয়ে backlink দিয়ে সার্চ করে দেখুন। ব্যাকলিংক কি ভাবে তৈরি করে এটা জানা থাকলে আপনি নিজের ওয়েবসাইট এর জন্য ব্যাকলিংক নিতে পারবেন। আবার এই নলেজ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করেও ভালো পরিমাণ ইনকাম তৈরি করতে পারেন। ( 2023 সালে ব্যাকলিংক কিভাবে তৈরি করবো ?)

ব্যাকলিংক কি?

আসলে ব্যাকলিংক বলতে বোঝায় অন্যের ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর সাথে নিজের ওয়েবসাইট এর hyperlink তৈরি করা। যার মাধ্যমে যে ওয়েবসাইট এ আপনার লিংক আছে ঐ ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইট এ ভিজিটর আসার সম্ভাবনা তৈরি হয় যায়।

আরো সহজ করে বলা যায়, আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক অন্য একটা ওয়েবসাইট এ থাকাই হচ্ছে ব্যাকলিংক। যার ওয়েবসাইট এ আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক আছে সে আপনাকে ব্যাকলিংক দিচ্ছে আর আপনি ব্যাকলিংক নিচ্ছেন। এখানে আপনার উপকার হচ্ছে।

আবার ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে জন্য যেখান সেখান থেকেই যে ব্যাকলিংক নিব তা কিন্তু না। আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক যেন ভালো মানের ওয়েবসাইট এ থাকে সেদিক এ খেয়াল করে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।

যে সব ওয়েবসাইট এর ডোমেইন অথোরিটি আপনার থেকে বেশী ভালো সে সব ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নিলে বেশী লাভ হয়। ব্যাকলিংক তৈরির সময় এই বিষয়টা খুব নজর এ রাখতে হবে তা হলো আপনার ব্যাকলিংক এর কোয়ালিটি। যে কোন ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নেওয়ার আগে ঐ ওয়েবসাইট এর DA / PA বা ডোমেইন অথোরিটি বা পেজ অথোরিটি দেখে নিবেন।

DA, PA কি? ( ব্যাকলিংক কি )

প্রসঙ্গ ক্রমে যেহেতু DA, PA এর কথা বলে ফেলেছি তো চলুন দেখা যাক এটা আসলে কি?

DA হলো ডোমেইন অথোরিটি, এটা হয় 1 থেকে 100 এর মধ্যে। যে ওয়েবসাইট এর DA যত বেশী তার গুরুত্বপূর্ণ তত বেশী। 1 থেকে 20 পর্যন্ত DA খুব কম। 20 এর বেশী যে ওয়েবসাইট এর DA সে ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নেওয়ার চেষ্টা করবো। তবে যদি ওয়েবসাইট নতুন হয় তাহলে এর মধ্যেও নেওয়া যায়।

আবার PA হলো পেজ অথোরিটি। এটাও অগের মতোই 1 থেকে 100 এর মধ্যে হয়। বেশী PA সাইট থেকে ব্যাকলিংক নিতে হয়।

DA, PA দেখবো কি করে?

websiteseochecker.com এ গিয়ে যে ওয়েবসাইট এর DA,PA দেখবে সেই ওয়েবসাইট এর লিংক দিয়ে চেক করবেন। তাহলেই সম্পূর্ণ রিপোর্ট পেয়ে যাবেন।

কেন ব্যাকলিংক করবো? ( ব্যাকলিংক কি )

আমরা কেন ব্যাকলিংক তৈরি করবো? এই বিষয়টা একটু গল্পের মাধ্যম এ বলছি। তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে।

মনে করুন আমি আপনি সাধারণ মানুষ একটা সোসাইটি তে থাকি। একদিন যদি আমার বাসায় মিস্টার চলে আসে তাহলে আমার সোসাইটি তে আমার সম্মান বেরে যাবে। মানুষ বলবে দেখ ওর মিস্টার এর সাথে খাতির আছে। তাই না?

একই বিষয় এখানেও আমার আপনার ওয়েবসাইট খুব সাধারণ একটা ওয়েবসাইট। আমার ওয়েবসাইট এর লিংক তখন একটা বড় ওয়েবসাইট এ থাকবে তখন আমার ওয়েবসাইট এর DA বেরে যাবে।

DA বেরে যাওয়ার মানে হচ্ছে আমার ওয়েবসাইট এ বেশী বেশী ভিজিটর আসবে। গুগল সার্চ ইঞ্জিন এ ভালো করবে।

ব্যাকলিংক কত ধরনের?

ব্যাকলিংক আসলে দুই প্রকার হয়ে থাকে। তবে অনেকেই অনেক রকমের কথা বলে। কেউ কেউ আরো বেশী ভাগে ভাগ করে ব্যাকলিংক কে। তবে ব্যাকলিংক এর প্রকার গুলো নিয়ে আলোচনা করার আগে একটা বিষয় পরিস্কার করা দরকার।

আর সেটা হলো ব্যাকলিংক দেওয়া বা নেওয়ার বিষয় কে বিবেচনা করে ব্যাকলিংক দুই রকম হয়। এটা কিন্তু ব্যাকলিংক এর প্রকার নয়। অনেকেই দেখলাম সব গুলিয়ে ফেলেছে। যাইহোক এই দুই ধরন গুলো হলো:

ইন্টার্নাল লিংক:

যদি মনে করুন আমার এই আর্টিকেল এ আমার এই সাইটের অন্য আর্টিকেল এর লিংক দিয়ে দেই তা হলে এটা হবে ইন্টার্নাল ব্যাকলিংক।

আমার এই লিংক এ ক্লিক করলে কিন্তু আপনি অন্য ওয়েবসাইট এ যাচ্ছে না। আমার ওয়েবসাইট এর অন্য একটা পোস্ট এ যাচ্ছেন এটাই হলো ইন্টার্নাল লিংক।

প্রতিটা আর্টিকেল এর মধ্যেই ইন্টার্নাল লিংক তৈরি করা উচিত।

 

এক্সটার্নাল লিংক:

এক্সটার্নাল লিংক হলো আপনার ওয়েবসাইট এর সাথে অন্য একটা ওয়েবসাইট এর লিংক করা। যেমন ধরুন এই আর্টিকেল থেকে একটা লিংক এ ক্লিক করলে আপনি আমার ফেসবুক এ চলে যাচ্ছে। তা হলে এই লিংক হবে এক্সটার্নাল লিংক।

আশা করি আপনি এই বিষয়টা সম্পূর্ণ পরিস্কার ভাবে বুঝতে পেরেছেন।

কেন ব্যাকলিংক নেবেন বা দিবেন?

যদি আপনি ব্যাকলিংক তৈরি করতে যান তা হলে কি করতে হবে? অন্য ওয়েবসাইট আপনার ওয়েবসাইট কে লিংক দিবে। তাহলেই তো আপনি ব্যাকলিংক পাবেন, তাই না? আপনার ওয়েবসাইট এর কিওয়ার্ড লিখে যখন কেউ গুগল এ সার্চ করে তখন গুগল বট ঐ কিওয়ার্ড রিলেটেড সব ওয়েবসাইট যাচাই করে।

যখন দেখে যে আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক অনেক বেশী ওয়েবসাইট এ আছে তখন গুগল বট ভেবে নেয় যে আপনার ওয়েবসাইট এ নিশ্চয় ভালো কন্টেন্ট আছে। তা না হলে তো এতো মানুষ আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক তাদের ওয়েবসাইট এ রাখবে না।

 

ব্যাকলিংক কত প্রকার? ( ব্যাকলিংক কি )

মানুষ ব্যাকলিংক কে যত ভাবেই ভাগ করুক না কেন পৃথিবীর সব লিংক দুই প্রকার। যথা:

নো ফলো ব্যাকলিংক:

যে সব লিংক এ no follow attribution থাকে সে সব লিংক কে সাধারণত নো ফলো লিংক বলে। যখন কেউ তার ওয়েবসাইট এ অন্য একটা ওয়েবসাইট এর লিংক দিল, কিন্তু সে ঐ লিংক সম্পর্কে ভালো যাবে না, বা সেই লিংক বেশী দিন থাকবে না, তখন সেই লিংক এর সাথে no follow attribution যুক্ত করে দেয়।

তার মানে সে বোঝাতে চায় এই লিংক আমার ওয়েবসাইট এ দরকার ছিল বলে দিয়েছি তবে এই লিংক এর দায় আমার নেই। যদি এই লিংক দুইদিন পর নাই হয়ে যায় তাহলে আমার ওয়েবসাইট এ কোন প্রভাব থাকবে না।

নো ফলো লিংক এর কোড এমন হয়:

<a href=”https://www.free-all.xyz/” rel=”nofollow”>lawyers</a>

ডু ফলো ব্যাকলিংক:

সব ব্যাকলিংক এর থেকে ডু ফলো ব্যাকলিংক এর ক্ষমতা বেশী। আপনার চেষ্টা করা উচিত যত বেশী সম্ভব ডু ফলো লিংক নেওয়ার।

এর কারণ গুগল সার্চ ইঞ্জিন সব সময়ই ডু ফলো লিংক কে বেশী গুরুত্ব দেয়। এই জন্য সবাই ডু ফলো লিংক নিতে চেষ্টা করে।

ডু ফলো লিংক দেওয়ার মানে হলো এই ওয়েবসাইট কে আমি বিশ্বাস করি এবং আমি আমার ওয়েবসাইট এ লিংক দিয়েছি যাতে গুগল বট এই ওয়েবসাইট কে বিশ্বাস করে। এবং এই ওয়েবসাইট কে রিডার করে।

বুঝতে পারছেন? তাই আপনার ওয়েবসাইট এর 100 ডু ফলো ব্যাকলিংক থাকে তার মানে হলো আপনার ওয়েবসাইট কে 100 জন সাপোর্ট করে।

এটাই ডু ফলো ব্যাকলিংক এর পাওয়ার।  এই জন্য সবাই চেষ্টা করে যত বেশী সম্ভব ডু ফলো ব্যাকলিংক নেওয়ার।

ডু ফলো লিংক এর কোড এমন হয়:

<a href=”https://www.free-all.xyz/” rel=”dofollow”>lawyers</a>

ব্যাকলিংক কেন দরকার?

একটা ওয়েবসাইট গুগল এর কোন পজিশন এ থাকে সেটা জানাই করার জন্য প্রায় 200 টা নিয়ম আছে গুগল এর কাছে। তাদের মধ্য ব্যাকলিংক একটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আর্টিকেল এর শুরুর দিকেই এই বিষয়টা বলেছি যে ওয়েবসাইট এর ফাস্ট rank এ আসার জন্য ব্যাকলিংক বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

তার মানে আপনার ওয়েবসাইট কে যদি কোন keyword এ গুগল এর প্রথম পেজ এ নিয়ে আসতে চান তাহলে ব্যাকলিংক তৈরি করতেই হবে। এখানে পয়েন্ট আকারে ব্যাকলিংক তৈরি করার কিছু কারণ তুলে ধরছি:

পজেটিভ সিগন্যাল: ব্যাকলিংক কি

অন্য সব ওয়েবসাইট যখন আপনার ওয়েবসাইট কে লিংক দিবে। মানে আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক তাদের ওয়েবসাইট এ রেখে দিবে তখন সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে আপনার ওয়েবসাইট এর একটা পজেটিভ ইমপ্রেশন তৈরি হবে।

এই বিষয়টাও গল্পের মাধ্যমে দেখলে ভালো বুঝবেন। যখন আমরা daraz এ যে কোন প্রোডাক্ট কেনার জন্য যাই তখন আমারা কিন্তু সেই দেখি অন্যরা এই প্রোডাক্ট সম্পর্কে কি বলেছে। যদি দেখি বেশিরভাগ মানুষই একটা প্রোডাক্ট কে ভালো বলছে তখন আমরা ভেবে নেই যে নিশ্চয়ই এই প্রোডাক্ট ভালো হবে। আর সেটাই কিনে নেই।

ঠিক তেমন ভাবেই কাজ করে ব্যাকলিংক এর বিষয়টাও। যখন আপনার ওয়েবসাইট কে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে লিংক দেওয়া হবে তখন সার্চ ইঞ্জিন বা গুগল বট ভাববে নিশ্চয়ই এই ওয়েবসাইট এ ভালো কিছু আছে। এই জন্যই সবাই আপনাকে লিংক দিচ্ছে।

এভাবেই আপনার ওয়েবসাইট google এ rank করা শুরু করবে।

ফাস্ট ইনডেক্সিং: ব্যাকলিংক কি

বেশী বেশী ব্যাকলিংক তৈরি করার আরেকটা বড় কারন হলো দূত ইনডেস্কিং করা। বিষয়টা একটু ভালো করে বুঝিয়ে বলছি।

যদি আপনার ওয়েবসাইট এ একটা পোস্ট থাকে কিন্তু সেটা গুগল এ ইনডেক্স না হয় তা হলে কি হবে? তাহলে আপনার কন্টেন্ট থাকা না থাকা সমান কথা। কারণ এটা সার্চ করে পাওয়া যাবে না।

অনেক সময় কন্টেন্ট পাবলিশ করার পর গুগল এ ইনডেক্স হতে খুব বেশী সময় নেয়। এ ক্ষেত্রে যদি আপনার কন্টেন্ট কে খুব কম সময়ে গুগল এ ইনডেক্স করাতে চান।

তাহলে আপনার ওয়েবসাইট এর বেশী বেশী ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।

ডোমেইন অথোরিটি:

ডোমেইন অথোরিটি কি এবং এটা কিভাবে কাজ করে বা কিভাবে চেক করে এটা তো আগেই বলেছি। গুগল সার্চ এ আপনার ওয়েবসাইট কে নিয়ে আসতে ডোমেইন অথোরিটি অনেক বড় ভূমিকা রাখে।

দুইটা ওয়েবসাইট যখন একই কিওয়ার্ড নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করে প্রকাশ করে তখন ডোমেইন অথোরিটির জন্য ranking এ তারতম্য ঘটে।

যেমন ধরেন আমি “ব্যাকলিংক কি?” এই কিওয়াড এর ওপরে 2k ওয়ার্ড এর একটা আর্টিকেল লিখলাম।

আবার অন্য একজন তাপ পুরাতন ওয়েবসাইট এ একই টপিক এ 2k ওয়ার্ড এর একটা আর্টিকেল প্রকাশ করলো।

এখন কে আগে থাকবে? দুজন তো একই টপিক এ একই সমান আর্টিকেল লিখছে।

আমার ওয়েবসাইট আগে থাকতে পারবে না। কারণ আমার নতুন ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইট এর ডোমেইন অথোরিটি কম ঐ পুরোনো ওয়েবসাইট এর তুলনায়।

গুগল সেই সব ওয়েবসাইট কে বেশি প্রাধান্য দিবে যাদের ডোমেইন অথোরিটি বেশী। আবার এটা মনে করবেন না যে আমি যদি নতুন একটা ওয়েবসাইট তৈরি করি তাহলে rank এ আস্তে পারবো না।

নতুন ওয়েবসাইট গুগল এ ranking এ আসার গোপন ট্রিক্স নিয়ে এর পরে আলো চান করবো।

ভিজিটর পাওয়ার জন্য: ব্যাকলিংক কি

আপনার ওয়েবসাইট এর বেশী ব্যাকলিংক থাকার অন্যে সব উপকরণ এর পাশাপাশি আরও একটা উপকার পাবেন আর তা হলো ওয়েবসাইট এর ভিজিটর বাড়বে।

যদি আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক আরেকটি ওয়েবসাইট এ দেওয়া থাকে তা হলে কি হবে? ঐ ওয়েবসাইট এ যদি 1,000 ভিজিটর আসে তার মধ্যে কমপক্ষে 100 ভিজিটর লিংক এ ক্লিক করার মাধ্যম এ আপনার ওয়েবসাইট আসবে।

এভাবে আপনার ওয়েবসাইট এর ভিজিটর কিছু হলেও বাড়তে থাকবে। আস্তে আস্তে আপনার ওয়েবসাইট এর ভিজিটর বাড়তে থাকবে আর আপনার ওয়েবসাইট এর ডোমেইন অথোরিটি বাড়তে থাকবে।

এভাবেই আসলে কাজ করে ব্যাকলিংক। তাই ব্যাকলিংক কে অফ পেজ এসইও এর প্রান বলা হয়।

কি ভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হয়?

কি ভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হয়?
কি ভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হয়?

ওয়েবসাইট এর জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করার অনেক নিয়ম রয়েছে। ব্যাকলিংক তৈরি করার সময় ঐ সব জিনিসের ওপর অবশ্যই নজর দিয়ে কাজ করতে হবে।

সব সময় ভালো অথোরিটি ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নিতে চেষ্টা করবেন। তাহলে আপনার ওয়েবসাইট এর ইমপ্রেশন ভালো হতে থাকবে।

এছাড়াও এক সাথে বেশী ব্যাকলিংক তৈরি করবেন না। এতে গুগল আপনার ওয়েবসাইট কে প্লান্টি দিয়ে দিতে পারে।

এক বার যদি আপনার ওয়েবসাইট প্লান্টি খায় তাহলে ধরে নিবেন যে আপনার ওয়েবসাইট গেছে আর আপনার ওয়েবসাইট গুগল এর কাছে ভালো হতে পারবে না। তাই এই বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

Read More: আর্টিকেল লিখে মাসে ৭০,০০০ টাকা

ব্যাকলিংক তৈরির সব থেকে সঠিক মাধ্যম?

নিচে ব্যাকলিংক তৈরি করার সব থেকে ভালো এবং একই সাথে সব থেকে কার্যকর কিছু উপায় বলে দিচ্ছি। এগুলো নিয়ে নিয়মিত কাজ করলে আপনার ওয়েবসাইট এর ব্যাকলিংক বাড়তে থাকবে আর স্পাম হবে না।

Quora থেকে লিংক নেওয়া:

quora.com হলো একটি খুব জনপ্রিয় প্রশ্ন উত্তর সাইট। মানে এই ওয়েবসাইট এ সবাই নিজেদের প্রশ্ন করে।

Quora তে গিয়ে আপনার নিশ রিলেটেড টপিক সার্চ করুন তার পর লোকেদের করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিন। উত্তর এর নিচে আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক দিয়ে দিবেন। যেন সেখান থেকেও আপনার ওয়েবসাইট এ ভিজিটর আসতে পারে।

এভাবে নিজের ব্লগ ওয়েবসাইট এর জন্য সব থেকে ভালো ব্যাকলিংক তৈরি করা যায়। এভাবে অনেক ভিজিটর ওয়েবসাইট এ নিয়ে আসা যায়।

কমেন্ট করা: ব্যাকলিংক কি

ব্লগ কমেন্ট খুব জনপ্রিয়তা পেয়ে ছিল কিছু দিন আগে। তবে গুগল আর এই বিষয়টাকে আগের মতো গুরুত্ব দেয় না।

তবে এখনও ব্লগ কমেন্ট করে মোটা মুটি ভালো ফল পাওয়া যায়।

আপনি যে করবেন তা হলো আপনার ব্লগ নিশ এর সাথে মিল রেখে অন্য ব্লগ খুঁজে বের করতে হবে। আপনার আর্টিকেল এর কিওয়ার্ড দিয়ে গুগল এ সার্চ করলেই হবে।

তার পর যে সব ব্লগ আসবে তার মধ্যে থেকে 5-7 টা আর্টিকেল ওপেন করে নিবেন। একটু পরে নিয়ে নিচে কমেন্ট করবেন।

কমেন্ট করার সময় খেয়াল রাখবেন যেন আপনার কমেন্ট স্পাম না হয়। এমন ভাবে কমেন্ট করবে যেন মনে হয় আপনি ঐ আর্টিকেল পড়েছেন। কমেন্ট করার সময় ওখানে দেখবেন ওয়েবসাইট এর লিংক দেওয়ার অপশন থাকে। ওখানে আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক দিয়ে দিবেন।

কমেন্ট করার সময় অবশ্যই দেখে নিবেন যেন নিজের ওয়েবসাইট ঐরকম নিশ এর সাথে মিল আছে এমন ওয়েবসাইট এ কমেন্ট করবেন।

গেস্ট পোস্ট করা: ব্যাকলিংক কি

গেস্ট পোস্ট করে ব্যাকলিংক নেওয়ার সব থেকে লাভজনক ও উপকারী।

গেস্ট পোস্ট করে যেই ব্যাকলিংক পাবেন তার সাথে কোন কিছুর তুলনা করা যায় না। কারণ গেস্ট পোস্ট করে যে ব্যাকলিংক নেওয়া হয় সেই ব্যাকলিংক ডু ফলো ব্যাকলিংক হয়।

আর গেস্ট পোস্ট থেকে সব থেকে বেশী ভিজিটর নিজের ওয়েবসাইট এ পাঠানো যায়।

গেস্ট পোস্ট করার জন্য আপনি কি করতে পারেন? মনে করুন আপনি আপনার ওয়েবসাইট এ ঘরির রিভিউ করছেন। এখন এই ওয়েবসাইট এর ব্যাকলিংক করার জন্য আপনি এমন ওয়েবসাইট খুজে বের করবে যারা টেক রিভিউ নিয়ে কাজ করছে। হতে পারে সেটা মোবাইল রিভিউ সাইট।

আপনার কাজ হবে ঐরকম মোবাইল রিভিউ সাইট এ মালিক এর সাথে যোগাযোগ করা। আর বলা যে আমি আপনার ওয়েবসাইট এ একটা গেস্ট পোস্ট করতে চাই। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই মানা করবে না।

এখন আপনি মোবাইল রিভিউ নিয়ে একটা পোস্ট লিখবেন, আর ঐ পোস্ট এর মধ্য আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক দিয়ে দিবেন। বলে দিবেন যে “বাজেট এর মধ্য সব থেকে ভালো স্মার্ট ওয়াচ অংএখতে এখানে ক্লিক করুন ” ব্যাস আপনার কাজ শেষ।

সোস্যাল মিডিয়া: ব্যাকলিংক কি

ওয়েবসাইট এ ভালো ডু ফলো ব্যাকলিংক নেওয়ার জন্য এই টেকনিক অনেক কাজে দেয়। আপনার কিছু জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া খুজে বের করতে হবে। এবং ঐসব সোস্যাল মিডিয়া তে প্রোফাইল তৈরি করতে হবে।

প্রায় সব সোস্যাল মিডিয়াতে ওয়েবসাইট এর লিংক দেওয়ার জন্য একটা অপশন থাকে। আপনার ঐ অপশন কে কাজে লাগিয়ে ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।

তাছাড়া সব সোস্যাল মিডিয়াতে নিজের সম্পর্কে কিছু লেখার জায়গা থাকে। আপনার ওয়েবসাইট এর লিংক ওখানে দিয়ে দিবেন।

কিছু প্রশ্ন:

ব্যাকলিংক বেশী হলেই কি প্রথম পেজে আসবে?

না, শুধুমাত্র অনেক ব্যাকলিংক তৈরি করাই যথেষ্ট নয় ওয়েবসাইট সামনে আসার। আরো বেশ কিছু ফ্যাক্টর কাজ করে আপনার ওয়েবসাইট গুগল এর প্রথম পেজ এ আসে। তবে ব্যাকলিংক অনেক বড় ভূমিকা রাখে ওয়েবসাইট rank করাতে।

ব্যাকলিংক কি ভিজিটর বাড়াতে সাহায্য করে? (ব্যাকলিংক কি)

হ্যা, ব্যাকলিংক সরাসরি কিছু ভিজিটর ওয়েবসাইট এ পাঠায়। তারা ব্যাকলিংক দিয়ে গুগল এ প্রথম পেজে আসা যায় তখন প্রচুর ভিজিটর ওয়েবসাইট এ আসে।

সব সাইট এর ব্যাকলিংক কি সমান গুরুত্বপূর্ণ?

না, সব ওয়েবসাইট এর ব্যাকলিংক সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিছু কিছু ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নিলে ক্ষতি হয়। যে সব ওয়েবসাইট এর স্পাম স্কোর বেশী বা ডোমেইন অথোরিটি নেই সেই সব ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নেওয়া ঠিক নয়।

ব্যাকলিংক এসইও তে সাহায্য করে কি না?

হ্যা, ব্যাকলিংক হলো off page seo এর একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ আমি আগেই বলেছি। সেহেতু ব্যাকলিংক আপনার ওয়েবসাইট ranking এ সাহায্য করে।

Read More: ব্লগিং শুরু করা কি উচিত

#Topic: ব্যাকলিংক কি ? কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরি করবেন?

এই আর্টিকেল এ ব্যাকলিংক কি ? এবং ব্যাকলিংক তৈরি করার কিছু উপায় বলেছি। আশা করি ব্যাকলিংক সম্পর্কে একটা বিস্তারিত ও সুন্দর ধারনা পেয়েছেন।

যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্ট করতে পারেন।

ধন্যবাদ ❤

Related Articles

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button